উপাত্ত বলছে ২য় প্রান্তিক পর্যন্ত মোট বিক্রিত ফোনের ৮৬.২ শতাংশ অ্যানড্রয়েডযুক্ত স্মার্টফোন
উপাত্ত বলছে ২য় প্রান্তিক পর্যন্ত মোট বিক্রিত ফোনের ৮৬.২ শতাংশ অ্যানড্রয়েডযুক্ত স্মার্টফোন
উপাত্ত বলছে ২য় প্রান্তিক পর্যন্ত মোট বিক্রিত ফোনের ৮৬.২ শতাংশ অ্যানড্রয়েডযুক্ত স্মার্টফোন
উপাত্ত বলছে ২য় প্রান্তিক পর্যন্ত মোট বিক্রিত ফোনের ৮৬.২ শতাংশ অ্যানড্রয়েডযুক্ত স্মার্টফোন


সম্প্রতি স্ট্যাটিসটা’র প্রকাশিত একটি উপাত্ত জানাচ্ছে যে, বিশ্বব্যাপি এ বছরের প্রথমার্ধে বিক্রিত মোট ফোনের ৮৬.২% অ্যানড্রয়েড হ্যান্ডসেট। ২০১৫ এর ৩য় প্রান্তিকে এই হার ছিল ৮৪.৭%। বহুল আলোচিত ও সমাদৃত আইফোন বিক্রির পরিমাণ ১২.৯%। অবশ্য আইফোন বিক্রির হার ক্রমান্বয়ে কমে যাচ্ছে।

একটু পিছনে ফিরে গেলে দেখা যায় ২০০৯ সালের ২য় প্রান্তিকে বিশ্বব্যাপি মোবাইল স্মার্টফোন বিক্রির হিসেবে সিমবিয়ানের অধিকারে ছিল ৫১% অংশ। এর পরেই ১৯% নিয়ে ব্ল্যাকবেরি ছিল ২য় স্থানে। তার পরে ছিল আইওএস এর স্থান, তাদের দখলে ছিল ১৩% অংশ। সেই বছরের ২য় প্রান্তিকে মোবাইল স্মার্টফোন বিক্রিতে ৯% অংশ জুড়ে ছিল উইন্ডোজ মোবাইল। আর সবশেষে মাত্র ২% স্থান দখল করতে পেরেছিল অ্যানড্রয়েড। লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, অ্যাপেল তার আইফোন নিয়ে প্রথম থেকেই প্রায় একই অবস্থানে আছে। তাদের গ্রাহক সংখ্যার খুব বেশি হেরফের নেই। তবে অন্য সব প্ল্যাটফরম ব্যবহারকারীরা ধীরে ধীরে অ্যানড্রয়েড ফোনের দিকে ঝুকেছে। ২০১১ সালের প্রথম প্রান্তিকে অ্যানড্রয়েড সেই যে সিমবিয়ানকে পিছনে ফেলে প্রথম স্থান দখল করেছে তারপর থেকে তাকে আর কেউ তার অবস্থান থেকে নড়াতে পারেনি।

এ বছরের ২য় প্রান্তিকে সারা পৃথিবীতে ২৯৬.৯১ মিলিয়ন অ্যানড্রয়েড ফোন বিক্রি হয়েছে যেখানে আইফোন বিক্রির পরিমাণ ছিল মাত্র ৪৪.৪ মিলিয়ন। বিক্রির দিক থেকে উইন্ডোজ ফোন ও ব্ল্যাকবেরি হ্যান্ডসেটের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১.৯৭ মিলিয়ন ও ৪০০,০০০ । এই সংখ্যাগুলিকে যদি ২০০৯ সালের ২য় প্রান্তিকের বিক্রয় সংখ্যার সাথে তুলনা করি তবে তখন ২০.৮৮ মিলিয়ন সিমবিয়ান ফোন, ৭.৭৮ মিলিয়ন ব্ল্যাকবেরি, ৫.৩৩ মিলিয়ন আইফোন এবং ৩.৮৩ মিলিয়ন উইন্ডোজ মোবাইল বিক্রি হয়েছিল। সেই ২০০৯ এর ২য় প্রান্তিকে অ্যানড্রয়েড ফোন বিক্রি হয়েছিল মাত্র ৭৬০,০০০টি।

তবে একটা সময়ে পরিবর্তন অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। আর সম্পূর্ণ মোবাইল ইন্ডাস্ট্রি তা প্রত্যক্ষ করেছে। ঘটনাটার সূচনা হয়েছিল ২০০৯ এর নভেম্বর মাসে মটোরোলা ড্রয়েডের হাত ধরে। অ্যানড্রয়েড যুগের শুরুতে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ফোনসেটটিতে ছিল অ্যানড্রয়েড ২.০। ২০১০ এর প্রথম প্রান্তিকেই বিক্রি হয়েছিল ৫.২৩ মিলিয়ন অ্যানড্রয়েড হ্যান্ডসেট। পরে সেই বছর ২য় প্রান্তিকে নেক্সাস ওয়ান অবমুক্ত হলে তার বিক্রির সংখ্যা বেড়ে হয়েছিল ১০.৬৫ মিলিয়ন।