বছরের ২য় প্রান্তিকেও চীনে অ্যাপেল ও স্যামসাং ফোনের বিক্রয় হ্রাস
বছরের ২য় প্রান্তিকেও চীনে অ্যাপেল ও স্যামসাং ফোনের বিক্রয় হ্রাস
বছরের ২য় প্রান্তিকেও চীনে অ্যাপেল ও স্যামসাং ফোনের বিক্রয় হ্রাস
বছরের ২য় প্রান্তিকেও চীনে অ্যাপেল ও স্যামসাং ফোনের বিক্রয় হ্রাস


চীনে এ বছরের ২য় প্রান্তিকে গত বছরের তুলনায় স্মার্টফোনের বিক্রি ১৪.৯% বেড়েছে। এর পরিমাণ ছিল ১৪৯ মিলিয়ন। গত প্রান্তিকের তুলনায় বিক্রি বেড়েছে ২.৭ %। তবে এই বিক্রির পরিমাণ বৃদ্ধিতে নামী প্রতিষ্ঠান স্যামসাং বা অ্যাপেলের কোন ভূমিকা ছিল না। তার বদলে চীনা গ্রাহকেরা তাদের দেশীয় কোম্পানির সাধারণ প্রযুক্তির ও মধ্য মানের ৪জি মডেলের ফোনগুলির প্রতি তাদের সমর্থন জানিয়েছেন বেশি। ফলে চীনের সেই সব ফোন নির্মাতা কোম্পানিগুলি বিক্রয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কৃতিত্বের প্রকৃত দাবীদার। চীনের ৩টি নামী ক্যারিয়ার- চায়না মোবাইল, চায়না ইউনিকম এবং চায়না টেলিকম তুলণামূলক কমদামী ফোন বিক্রিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

তাদের অবদানই ধরা পড়েছে দেশটির খুচরা বিক্রির সার্বিক চিত্রে। এ বছরের প্রথম দুটি প্রান্তিকে ফোন নির্মাতা কোম্পানিগুলি গ্রাহকের চাহিদার তুলনায় বাজারে বেশি ফোন সরবরাহ করেছে। ফলে বিশ্লেষকেরা বলেছেন যে, চলমান প্রান্তিকে নির্মাতাদের ফোন তৈরি ও বাজারজাতকরণের হিসেব নিকেশে সংশোধন আনতে হবে। অর্থাৎ এবার তাদের কম ফোন বাজারজাত করতে হবে যেন তা আগের প্রান্তিকে বাজারজাত করা উদ্বৃত্ত ফোনের সাথে মিলে একটি ভারসাম্য আনতে পারে।

ডিজিটাইমস এর গবেষণা বলছে যে, হুয়েই হলো চীনের সবচেয়ে বড় স্মার্টফোন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। তারা এপ্রিল থেকে জুনে বাজারে বিক্রি হওয়া মোট ফোনের ১৪% সরবরাহ করেছে। একই সময়ে অপ্পো বিক্রি করছে ১২.৭% ফোন। এর পরের স্থান দুটিতে যথাক্রমে ছিল ভিভো ও শিওমী। তাদের বিক্রয়ের পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১১.২ % ও ১০.৪%। এর পরের অর্থাৎ পঞ্চম স্থানে এক অংকের বিক্রয় শেয়ার নিয়ে আছে বিশ্ব বিখ্যাত আইফোন নির্মাতা অ্যাপেল।

আগের অন্য একটি প্রতিবেদনে আমরা দেখেছিলাম এ বছরের প্রথম প্রান্তিকে অ্যাপেল চীনের স্মার্টফোন বাজারের ১০.৮% শেয়ার নিজেদের দখলে রাখতে পেরেছিল। অথচ ২০১৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে বাজারে অ্যাপেলের শেয়ার ছিল ১২%। ব্যাবসা ধরে রাখতে সে কারনেই বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানটি ইন্ডিয়ায় নিজেদের বাজার বৃদ্ধির জন্যে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।