এইচটিসি ১০ এর বিক্রিতে মন্দা - কোম্পানিটি ফোনটির ১ মিলিয়ন ইউনিট বিক্রি করতে হিমসিম খাচ্ছে
এইচটিসি ১০ এর বিক্রিতে মন্দা - কোম্পানিটি ফোনটির ১ মিলিয়ন ইউনিট বিক্রি করতে হিমসিম খাচ্ছে
বিগত কয়েক বছর ধরেই দিনকে দিন এইচটিসি ফোনের বিক্রিতে মন্দা দেখা দিয়েছে। অতীতের ধারাবাহিকতাকে উল্টে দিতে তাই কোম্পানিটি এক বিশেষ ফ্ল্যাগশীপ ফোন বাজারে আনার পরিকল্পনা করেছিল। আর সেই বিশেষ ফোনটি ছিল ২০১৬ এর এইচটিসি ১০। তবে স্বপ্নের ফোনটি এইচটিসির ভাগ্যে তেমন কোন পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং তার বিক্রির সংখ্যা ক্রমান্বয়েই কমে যাচ্ছে।

এইচটিসি ১০ এর বিক্রিতে মন্দা - কোম্পানিটি ফোনটির ১ মিলিয়ন ইউনিট বিক্রি করতে হিমসিম খাচ্ছে
এইচটিসি ১০ এর বিক্রিতে মন্দা - কোম্পানিটি ফোনটির ১ মিলিয়ন ইউনিট বিক্রি করতে হিমসিম খাচ্ছে


বর্তমান প্রেক্ষিতে আগ্রহী অনেকেই প্রশ্ন রাখছেন - এইচটিসি ১০ বিক্রির পরিমাণ সত্যিকারে কতো? সে প্রশ্নের উত্তর আমরা পাচ্ছি ট্রেন্ডফোর্সের একটি প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনটি আমাদের জানিয়েছে যে, এ বছর এইচটিসি ১০ বিক্রি এক মিলিয়ন বা ১০ লাখের ঘরে পৌঁছাতেই হিমসিম খাচ্ছে।

এইচটিসি তাদের ফোনটিকে হালের ক্রেজ স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৭ এর প্রতিদ্বন্দ্বি করতে উদ্যোগী হয়েছিল। কিন্তু তারা গ্রাহকের প্রত্যাশাকে স্পর্শ করতে সফল হয়নি। অথচ গ্যালাক্সি এস ৭ এরই মধ্যে কোটি ক্রেতার মন জয় করে নিয়েছে।

আসলে এখকার ক্রেতারা তাদের বর্তমান ফোনটিকে বদলে উন্নততর প্রযুক্তির নতুন ফোন কিনতে চাইছেন না, তার পরিবর্তে তারা নিজেদের ফোনটিতেই নতুন প্রযুক্তি সংযোজন করার উপায় খুঁজছেন। আর যারাও নুতন ফোন কিনছেন তারাও ঘন ঘন ফোন বদলানোর বদলে নিজেদের সাধ্যের মধ্যে থেকে ফোন ব্যবহার করাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

তবে এইচটিসি স্বল্পমূল্যের ফোন বাজারজাত করার ক্ষেত্রেও সাফল্য দেখাতে পারছে না। প্রতিষ্ঠানটি এ বছর ১৪ মিলিয়ন ফোন বিক্রি করবে বলে আশা করেছিল। তাদের প্রত্যাশিত এ সংখ্যাটিও কিন্তু গত বছরের বিক্রির পরিমানের তুলনায় ২৭% কম।

নতুন করে স্বপ্ন দেখতে চাইছে এইচটিসি। এখন তার সব আশা এইচটিসি’র তৈরি আসন্ন দুটি নেক্সাস ফোনকে কেন্দ্র করে। ফোন দুটির কথা আমরা বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে বারবার শুনতে পাচ্ছি। এই নির্মাতা কোম্পানিটির আরেকটি স্বপ্নের পন্য হলো তাদের সম্ভাবনাময় হেডসেট এইচটিসি ভাইভ। এখন সময়ের অপেক্ষা শুধু দেখার যে, স্বপ্ন ও বাস্তবতা কতোটা কাছাকাছি আসে।